

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে আজ রাত ৮টায়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রকাশিত হবে।
অনলাইনে আবেদন করা শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে তাদের ভর্তির ফল জানতে পারবেন। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি-সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এসএসসির ফল প্রকাশের দুইদিন পর পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
এর আগে গত ২৪ আগস্ট ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করে। তাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে এ সময় বাড়ানো হয়। ফলে আবেদন না করতে পারা শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে ফল পরিবর্তিত হওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবেদন করতে পারেন।
ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আসনের ৭ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। কলেজগুলোর মোট আসনের বাকি ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে।
এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার
আজ রাত ৮টায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সবশেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর কথা রয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর।
নীতিমালা অনুযায়ী, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে
অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি দিতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি দেখাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট আসন খালি রাখা যাবে না। মেধাতালিকা থেকে ওই আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, এই কোটাপদ্ধতি শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে সংশ্লিষ্ট কোটার প্রার্থীদের মধ্যেই মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।